Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রকল্প

‘ট্রেংদেনিংঅফসাপোর্টসার্ভিসেসফরকমব্যাটিংএভিয়ানইনফ্লুয়েঞ্জা(HPAI ) ইনবাংলাদেশ

   এসএসসিএআইবি প্রকল্পে একজন ভেটেরিনারি অফিসার ও ১ জন ফিল্ডম্যান বর্তমানে কাজ করছেন। ভেটেরিনারি অফিসার সরাসরি   ডি.এল.ও  এর  তত্তাবধানে   কাজ  করেন এবং ১ জন ফিল্ডম্যান সদর  উপজেলা প্রাণিসম্পদ  কর্মকর্তার  তত্তাবধানে কাজ  করে  থাকেন ।  তাদের  কাজ  তদারক  করেন  ভেটেরিনারি  অফিসার।  ভেটেরিনারি  অফিসার  ইউ.  এল. ও  এবং  এ. আই  ওয়ার্কারদের সহযোগীতায় নিম্নোক্ত কাজ সম্পন্ন করেন এবং অন্যান্য  উপজেলাগুলোতেও মাঝে মাঝে খামার ভিজিট করে থাকেন।

১) পোল্ট্রি কাঁচা বাজারের একটিভ সার্ভিলেন্স কার্যক্রম পরিচালনা করা।

২) বাণিজ্যিক পোল্ট্রি খামার ও পারিবারিক পোল্ট্রি খামারের পরিদর্শন করা।

৩) পোল্ট্রি খামারীদের এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা, জীব নিরাপত্তা ও অন্যান্য রোগ সম্পর্কে সচেতনতা করা।

৪) কাঁচা বাজার ও পোল্ট্রি খাবারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে উদ্বুদ্ধ করা।

৫) জেলা ভেটেঃ হাসপাতালের গবেষণাগারে এক্টিভ সার্ভিলেন্স এর সময় সংগৃহীত সন্দেহজনক  নমুনার রেপিড  ফ্লু  ডিটেকশন  পরীক্ষা করা।

৬) জেলা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে স্ট্যাম্পিং আউট এ সহায়তা করা।

৭)  ক্ষতিগ্রস্থ  পারিবারিক ভবে পোল্ট্রি পালনকারীদের পুর্নবাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহায়তা করা।

৮) নিয়মিত খামার, কাঁচা বাজার ও পারিবারিক পোল্ট্রির পরিদর্শনের পর প্রতিবেদন নির্ধারিত ফরমে তৈরী করে  ডি.এল.ও এর মাধ্যমে প্রকল্প পরিচালক বরাবর প্রেরণ করা।

৯)জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার নির্দেশক্রমে  একটিভ সার্ভিলেন্স নেটওয়ার্ক প্রোগ্রাম  এর আওতায় যে কোন প্রকার কার্যক্রম  পরিচালনা।

এই প্রকল্পের আওতায় পারিবারিক হাঁস-মুরগী পালনকারীদের পুনর্বাসন কার্যক্রমের আওতায় পারিবারিক হাঁস-মুরগী পালনকারী ও ক্ষুদ্র খামারীকে প্রশিক্ষণ প্রদান  করা হইয়াছে।

               

এভিয়ানইনফ্লুয়েঞ্জাপ্রিপেয়ার্ডনেসএন্ডরেসপন্সপ্রজেক্টঃ-

 

 গাজীপুর জেলার ৫টি উপজেলায় এই প্রকল্পের কাজ চালু রয়েছে।  ৫ টি উপজেলায় ৬ জন এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ওয়ার্কার নিয়োজিত আছে। উপজেলায় নিয়োজিত কর্মিদের কাজের তদারকি করেন ২ জন এ.ভি.এস।          

১।    নির্ধারিত উপজেলায় একটিভ সার্ভিলেন্স কার্যক্রম পরিচালনা করা।

২।    এ.আই ওয়ার্কারস্, খামারী এবং অন্যান্য  সূত্র  থেকে  HPAI  সন্দেহকৃত  প্রাপ্ত  তথ্য র্পালোচনা  পূর্বক দ্রুত সন্দেহকৃত খামার / পারিবারিকভাবে  পালিত  হাঁস  -  মুরগীর  নমূনা  সংগ্রহপূর্বক  জরুরী  ভিত্তিতে  নিকটস্থ   জেলা  ভেটেরিনারি হাসপাতাল / এফ.ডি.আই.এল /  সি.ডি.আই.এল-এ উপজেলা/ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার মাধ্যমে  প্রেরণ।

৩।   সার্ভিলেন্স  কার্যক্রমের সকল প্রতিবেদন ডি.এল.ও এর মাধ্যমে সহকারী পরিচালক, ইপিডিমিওলজি ইউনিট, ডি.এল.এস এ প্রেরণ।

৪।   পোল্ট্রি ফার্ম পরিদর্শন ও পারিবারিক খামার পরিদর্শন,খামারীদের মধ্যে জীব নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি।

৫।   নির্ধারিত জেলা / উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার নির্দেশক্রমে একটিভ সার্ভিলেন্স নেটওয়ার্ক প্রোগ্রাম এর আওতায় যে কোন প্রকার দায়িত্ব পালন।

৬।   বিভাগীয় প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ।

        

ন্যাশনালএগ্রিকালচারালটেকনোলজিপ্রজেক্টঃ-

   গাজীপুর জেলার ৪টি  উপজেলায়  এই  প্রকল্পের  কার্যক্রম  চলছে। উপজেলাগুলো  হচ্ছে- গাজীপুর সদর,কালিয়াকৈর,কাপাশিয়া এবং শ্রীপুর। এই প্রকল্পের যাবতীয় কাজ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সম্পন্ন করেন। এই প্রকল্পে মাঠ  পর্যায়ে কাজ  করার জন্য প্রতি ইউনিয়নে স্বেচ্ছাসেবী হিসাবে ‘‘কমিউনিটি এক্সটেনশন এজেন্ট ফর লাইভষ্টক’’ ( CEAL)নিয়োগ করা আছে।

 

প্রযুক্তিহস্তান্তরেরমাধ্যমেযেসকলকার্যক্রমসম্পন্নকরাহয়েথাকেসেগুলোহলোঃ-

১।   কৃষক প্রশিক্ষণ। 

২।   প্রযুক্তি প্রদর্শনী।  

৩।   ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন।  

৪।   ডিওয়ারমিং ক্যাম্পেইন

৫।   উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণ। 

৬।   প্রযুক্তি মেলা।